খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩

নিউজ সেভেন

আমাদের পরিচয় প্রায় সাত বছর হতে চলল

অনলাইন ডেস্ক ।।
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৩, ৫:৩০ অপরাহ্ণ
আমাদের পরিচয় প্রায় সাত বছর হতে চলল

আমি খুব সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে রিয়া। আজ আমার অষ্টম মঙ্গলা। মনটা আমার বেশ খুশি খুশি এটা কখনোই বলতে পারবো না। না, আপনারা যা ভাবছেন ভুল। আপনারা বলবেন বিয়েটা তো আমি নিজেই নিজের ইচ্ছেয় করেছি তাহলে আপত্তিটা কোথায়?

যেটুক খুশি আমায় দেখছেন সেটা আমি বাপের বাড়ি যাচ্ছি বলে শুধু মনটা খুশি। কিন্তু আগামী পরশু আমি আর আমার বর বাবাজীবন যাচ্ছি প্রথমবার একসাথে ঘুরতে থুড়ি মধুচন্দ্রিমা যাপনে। তাই এতো চিন্তা। আসলে অভি আমার ফোনে কথা বলছে না ঠিক মতো সেই বিয়ে দিন থেকে। অথচ ওর কথা বিয়েটা আমি করলাম।

ও হ্যাঁ ভুলেই গেছি, আপনাদের সাথে তো আমার বরের এখনো পরিচয় করাইনি। আমার বর বুবাই দা। আমাদের পরিচয় প্রায় সাত বছর হতে চলল। সেই যখন ক্লাস নাইন আমি যাচ্ছিলাম ঝড়ের বেগে সাইকেল চালিয়ে টিউশন পড়তে। তখন আমি সাইকেল চালানোতে ছেলেদেরও হার মানাই। তো সেই ঝড়ের বেগের সাইকেল এ ধাক্কা লাগলো এক শান্ত সৌম্য নিরীহ ছেলের। সেই ছেলেটিই এই আমার পতিদেব মিস্টার মানব মন্ডল। বিদেশে চাকরি করে কিছু পয়সা-করি করে আজ আমাকে বিয়ে করে জীবনে সবচেয়ে বড় কিছু পাওয়া হয়ে গেছে বলে দাবি করছে।

আজকাল বুবাই হাসতে হাসতে বলে “ধাক্কাটা সেদিন শরীরে লেগেছিল না হৃদয়ে কে জানে”। যাক গে ওর কথা বাদ দিন। তো সেই ঘটনার পর অনেক ওঠানামা আর ভুল বোঝাবুঝি ঠিক বোঝাবুঝির পর আজ আমাদের অষ্টম মঙ্গলা। সে গল্প না হয় আর এক দিন করব। ফিরে আসি আজকের দিনে। আমার অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল যে আমি অভি সাথে হানিমুন যাবো পাহাড়ে। আমার এই ‘আপাত শান্ত মনের দুরন্ত’ বর কে নিয়ে একটু ঘুরতে যাবো।

কিন্তু অভি ফোন ধরছে না কেন? ও বলেছিলো দার্জিলিং যে হোটেলটা ও বুকিং করেছে সেটা ওর বিশেষ জানাশোনা। বুবাই এর গল্পটি ওখানে শেষ করে আমি ওর সম্পত্তিতে রাজ করবো। আমি রাজি হয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু এখন মনটা মানছে না। একটা মানুষের জীবন শেষ করে দেবো, লোকটা তো আমাকে পাগলের মতো ভালোবাসে।

যাক বাঁচা গেলো আজ আমার জন্মদিন। সারপ্রাইজ হিসেবে একটা দলিল উপহার দিয়েছেন বুবাই আমাকে। লাটাগুড়িতে একটা কটেজ কিনেছেন উনি আমার জন্য হানিমুনে যাবো আমরা ওখানেই। সারাদিন বেশ ভালো কাটলো কিন্তু মন খারাপ হলো বিকাল বেলায়।

আমার আর উনার মামাতো বোন অয়ন্তিকার জন্মদিন এক দিনে বিকালে একটা সারপ্রাইজ পার্টি আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেখানেই আমার জন্য ছিলো আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আর অয়ন্তিকার এঙ্গেজমেন্ট। অথচ আমাদের বিয়েতেই ওদের আলাপ। শিল্পপতির মেয়ে বলে বোধহয় অতো তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে অভি।

বাড়ি ফিরে মনটা কিছুতেই ভালো করতে পারলাম না। শুয়ে পরলাম। উনি বললেন “তোমার মোবাইলটা দেবে একটু একটা গেমস খেলবো। দিয়ে দিলাম।” কি ধরণের মানুষ এই লোকটি কে জানে! কি ধাতুর তৈরি কে জানে? আজ উনি অভি আর আমার ঝগড়াটা দেখেছেন। অভি স্পষ্ট বলেছে, আমি বুবাইকে ঠকিয়েছি তাই ও আমাকে ঠকিয়ে কোনো ভুল করেনি।

সকাল বেলায় উঠে আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আয়ন্তিকাও আসলো আমাদের সাথে। দিনটা ভালো কাটলো। মানে আমি চেষ্টা করলাম সব কিছু ভুলে নতুন করে শুরু করতে। অভি বোধহয় আমাকে কোনদিন ভালোবাসে নি। ও বেশ নির্লিপ্ত। অয়ন্তিকাকে খুশি করতে ব্যাস্ত। আয়ন্তিকা হঠাৎ ঠিক করলো বাইক রেসিং করবে। আমি আপত্তি করলাম ঠিকই কিন্তু বুবাই এর ওপর জোর খাটানোর অধিকার বোধহয় আমার হয়নি এখনো। তাই বেশি জোর ফলাতে চাইলাম না। তবে মনে মনে চাইলাম একটা দিনের জন্যে হিরো হোক সবার চোখে।

রক্তাক্ত সেমিফাইনালে রংপুরের জয়, কিসকুর গোলে বিদায় ময়মনসিংহের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ
রক্তাক্ত সেমিফাইনালে রংপুরের জয়, কিসকুর গোলে বিদায় ময়মনসিংহের

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬ জাতীয় পর্যায়ের সেমিফাইনালে দাপুটে পারফরম্যান্সে রংপুর বিভাগ ১-০ গোলে ময়মনসিংহ বিভাগকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে। ম্যাচের একমাত্র ও জয়সূচক গোলটি করেন কিসকু।
শুরু থেকেই রংপুর আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় এবং বলের দখল ও খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছেই রাখে। ধারাবাহিক আক্রমণে ময়মনসিংহকে চাপে রাখলেও একমাত্র গোলেই জয় নিশ্চিত করে রংপুর। পুরো ম্যাচজুড়ে রংপুরের সুশৃঙ্খল রক্ষণভাগের সামনে প্রতিপক্ষ তেমন কোনো কার্যকর আক্রমণ গড়ে তুলতে পারেনি।
ম্যাচের সবচেয়ে হৃদয়বিদারক মুহূর্ত আসে যখন রংপুরের অধিনায়ক সিনথিয়া আক্তার অনন্যা প্রতিপক্ষের আঘাতে মাথায় গুরুতর চোট পান। কপাল ফেটে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে মাঠ ছাড়তে হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে তার মাথায় ৯টি সেলাই দেওয়া হয়। তবে অধিনায়ক মাঠের বাইরে চলে গেলেও রংপুরের খেলোয়াড়রা অসাধারণ শৃঙ্খলা, আত্মবিশ্বাস ও দলীয় সমন্বয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে। ফলে ময়মনসিংহ শেষ পর্যন্ত সমতায় ফেরার মতো কোনো উল্লেখযোগ্য সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।
এই জয়ের মাধ্যমে রংপুর বিভাগ নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-এর ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। আগামী ২৭ জুলাই বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে বিকেল ৩:৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে শিরোপা নির্ধারণী ফাইনাল।
রক্তাক্ত অধিনায়কের আত্মত্যাগ, কিসকুর জয়সূচক গোল এবং পুরো দলের লড়াকু পারফরম্যান্সে স্মরণীয় এক সেমিফাইনাল জয়ের সাক্ষী হলো রংপুর বিভাগ। এখন লক্ষ্য—ফাইনালে জিতে শিরোপা ঘরে তোলা।

শেষ বাঁশির আগেই বদলে গেল ইতিহাস, ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে মেসির দল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৩:১৬ পূর্বাহ্ণ
শেষ বাঁশির আগেই বদলে গেল ইতিহাস, ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে মেসির দল

ফুটবল ইতিহাসে অনেক নাটকীয় সেমিফাইনাল দেখা গেছে, তবে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালটি নিঃসন্দেহে সেগুলোর অন্যতম। নির্ধারিত সময়ের শেষ সাত মিনিটে ম্যাচের পুরো চিত্র বদলে দিয়ে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত এগিয়ে থেকেও ইংল্যান্ডের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভেঙে দেন এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্টিনেজ।
আটলান্টা স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে ছিল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। লিওনেল মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা শুরু থেকেই বলের দখল রেখে আক্রমণ সাজাতে থাকে। অন্যদিকে ইংল্যান্ড দ্রুতগতির পাল্টা আক্রমণে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করে। প্রথমার্ধে দুই দলই কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করলেও এমিলিয়ানো মার্টিনেজ ও ইংল্যান্ডের গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। ফলে প্রথম ৪৫ মিনিট শেষ হয় গোলশূন্য সমতায়।
বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে মাঠে নামে ইংল্যান্ড। ৫৫তম মিনিটে সেই চাপেরই ফল পায় গ্যারেথ সাউথগেটের দল। মাঝমাঠ থেকে দারুণ এক আক্রমণ গড়ে তুলে বক্সের ভেতরে বল পান অ্যান্থনি গর্ডন। কোনো ভুল না করে নিখুঁত ফিনিশে বল জালে পাঠিয়ে ইংল্যান্ডকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি। গোলের পর ইংল্যান্ডের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের উল্লাসে মনে হচ্ছিল, বহু প্রতীক্ষিত বিশ্বকাপ ফাইনালের স্বপ্ন এবার সত্যি হতে চলেছে।
গোল হজম করার পর আর্জেন্টিনা একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে। মেসি, আলভারেজ, ম্যাক অ্যালিস্টার ও লাউতারোকে ঘিরে তৈরি হতে থাকে একের পর এক সুযোগ। কিন্তু ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগ দীর্ঘ সময় পর্যন্ত দুর্দান্তভাবে সব আক্রমণ সামাল দেয়। সময় যত গড়াচ্ছিল, আর্জেন্টিনার ওপর চাপও তত বাড়ছিল।
তবে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করে যাওয়ার মানসিকতা। ম্যাচের ৮৫তম মিনিটে সেই লড়াইয়েরই পুরস্কার পায় আলবিসেলেস্তেরা। লিওনেল মেসির সূক্ষ্ম পাস থেকে তৈরি হওয়া আক্রমণে এনজো ফার্নান্দেজ দুর্দান্ত এক শটে ইংল্যান্ডের জাল কাঁপিয়ে সমতা ফেরান। ১-১ গোলে ম্যাচ ফিরতেই নতুন করে জ্বলে ওঠে আর্জেন্টিনা, আর চাপে পড়ে যায় ইংল্যান্ড।

সমতা ফেরানোর পর থেমে থাকেনি স্কালোনির শিষ্যরা। নির্ধারিত সময় শেষে যোগ করা সময়েও আক্রমণের ধার অব্যাহত রাখে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকেই এগোচ্ছে বলে মনে হচ্ছিল, ঠিক তখনই আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ।
৯০+২ মিনিট। বক্সের ভেতরে তৈরি হওয়া সুযোগে লাউতারো মার্টিনেজ অসাধারণ ফিনিশে বল জড়িয়ে দেন ইংল্যান্ডের জালে। মুহূর্তেই স্তব্ধ হয়ে যায় পুরো স্টেডিয়াম। ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা হতাশায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন, আর আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা উল্লাসে মেতে ওঠেন। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই নিশ্চিত হয়ে যায়—আরেকটি বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা।

পুরো ম্যাচজুড়ে লিওনেল মেসি ছিলেন আর্জেন্টিনার আক্রমণের প্রাণভোমরা। সরাসরি গোল না পেলেও আক্রমণ সাজানো, সুযোগ তৈরি এবং দলকে অনুপ্রাণিত করার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন অনবদ্য। মাঝমাঠে এনজো ফার্নান্দেজের নিয়ন্ত্রণ এবং শেষ মুহূর্তে লাউতারো মার্টিনেজের দুর্দান্ত গোল আর্জেন্টিনাকে এনে দেয় স্মরণীয় এক জয়।
অন্যদিকে ইংল্যান্ডের জন্য এটি ছিল ভীষণ হতাশার রাত। দীর্ঘ সময় এগিয়ে থেকেও শেষ কয়েক মিনিটে ম্যাচ হাতছাড়া হওয়ায় তাদের বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন আরও একবার অপূর্ণই থেকে গেল। অ্যান্থনি গর্ডনের গোলও শেষ পর্যন্ত কোনো কাজে আসেনি।
এই জয়ের ফলে ২০২২ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠল। শিরোপা জয়ের পথে তাদের শেষ প্রতিপক্ষ ইউরোপিয়ান শক্তিশালী দল স্পেন। অন্যদিকে ইংল্যান্ড এখন তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে ফ্রান্সের।

দুই গোলে ফ্রান্সকে বিদায়, বিশ্বকাপের ফাইনালের মঞ্চে স্পেন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৩:০৯ পূর্বাহ্ণ
দুই গোলে ফ্রান্সকে বিদায়, বিশ্বকাপের ফাইনালের মঞ্চে স্পেন

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে ইউরোপীয় দুই পরাশক্তির লড়াইয়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল স্পেন। টেক্সাসের আরলিংটনের ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে গেছে লা রোজা। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বলের দখল, আক্রমণের গতি এবং রক্ষণে শৃঙ্খলায় স্পেন ছিল অনেক বেশি পরিণত, আর সেই আধিপত্যেরই প্রতিফলন দেখা যায় স্কোরলাইনে।
ম্যাচের শুরু থেকেই ফ্রান্সকে চাপে রাখে স্পেন। দ্রুত পাসিং, উইং ব্যবহার এবং ধারাবাহিক আক্রমণে ফরাসি রক্ষণকে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে তারা। ২২তম মিনিটে বক্সের ভেতরে ফাউলের পর পেনাল্টি পায় স্পেন। স্পট-কিক থেকে কোনো ভুল না করে দলকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক মিকেল ওয়ারজাবাল।

গোল হজমের পর কিলিয়ান এমবাপ্পেদের ফ্রান্স ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও স্পেনের সংগঠিত রক্ষণ এবং মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ তাদের সেই সুযোগ দেয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হয় স্পেনের ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে।
দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতেই রাখে স্পেন। ৫৮তম মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে গড়ে ওঠা আক্রমণে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পেদ্রো পোরো। এই গোলের পর ম্যাচে ফেরার পথ আরও কঠিন হয়ে যায় ফ্রান্সের জন্য।
শেষ সময়ে আক্রমণের তীব্রতা বাড়ালেও ফরাসিরা স্পেনের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। বরং ঠান্ডা মাথায় ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করে ২-০ গোলের দাপুটে জয় নিশ্চিত করে স্পেন।
এই জয়ের ফলে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে গেল স্পেন। এখন তাদের প্রতিপক্ষ হবে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড ম্যাচের বিজয়ী। অন্যদিকে শিরোপার স্বপ্ন ভেঙে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে হবে ফ্রান্সকে।