খুঁজুন
সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন, ১৪৩২

উত্তর কোরিয়ার কাছে ৫–০ গোলে হার বাংলাদেশের।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ
উত্তর কোরিয়ার কাছে ৫–০ গোলে হার বাংলাদেশের।

এএফসি নারী এশিয়ান কাপে শক্তিশালী উত্তর কোরিয়া নারী ফুটবল দল–এর বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। পুরো ম্যাচে কোরিয়ানদের আক্রমণের চাপ সামলাতে পারেনি বাংলাদেশ, শেষ পর্যন্ত ৫–০ গোলের হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় লাল–সবুজের প্রতিনিধিদের।

ম্যাচের শুরু থেকেই উত্তর কোরিয়া আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে এবং বাংলাদেশের রক্ষণকে বারবার চাপে ফেলে। প্রথমার্ধে কয়েকবার গোলের সুযোগ তৈরি হলেও বাংলাদেশের গোলরক্ষক ও রক্ষণভাগ শুরুতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তবে বিরতির আগে ধারাবাহিক আক্রমণের ফল পায় উত্তর কোরিয়া এবং ম্যাচে এগিয়ে যায় তারা।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও গতিময় ফুটবল খেলতে থাকে উত্তর কোরিয়া। দ্রুত আক্রমণ, বলের দখল ও নিখুঁত ফিনিশিংয়ে দুই দলের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ফলে দ্বিতীয়ার্ধেও আরও কয়েকটি গোল করে ব্যবধান বাড়ায় কোরিয়ার দল।
বাংলাদেশ দল মাঝেমধ্যে পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করলেও প্রতিপক্ষের শক্তিশালী রক্ষণভাগ ভাঙতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময় শেষে ৫–০ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে উত্তর কোরিয়া।

রংপুরে এএফসি উইমেন্স ফুটবল ডে ২০২৬ উদযাপন, অংশ নিল ১৩০ নারী খেলোয়াড়।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ৪:১৩ অপরাহ্ণ
রংপুরে এএফসি উইমেন্স ফুটবল ডে ২০২৬ উদযাপন, অংশ নিল ১৩০ নারী খেলোয়াড়।

রংপুর প্রতিনিধি:

রংপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে AFC Women’s Football Day 2026। এশিয়ার ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা Asian Football Confederation–এর উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচির আয়োজন করে Bangladesh Football Federation, সহযোগিতায় ছিল সদ্যপুস্করিনী যুব স্পোর্টিং ক্লাব।

রংপুরের পালিচড়া স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী এই আয়োজনে প্রায় ১৩০ জন নারী খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করেন। নারী ফুটবলের প্রসার এবং তৃণমূল পর্যায়ে নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে ছিল সার্টিফিকেট বিতরণ, শিশু-কিশোরীদের জন্য ফান গেম, মিনি বার গেম এবং সিনিয়র খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। পুরো আয়োজনজুড়ে নারী খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। বিশেষ করে ছোট খেলোয়াড়দের আগ্রহ ও অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সদ্যপুস্করিনী যুব স্পোর্টিং ক্লাবের হেড অব ডেলিগেশন মনজুর আহমেদ আজাদ, জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি শামীম খান মিসকিন, সদ্যপুস্করিনী যুব স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি মিলন মিয়া, ক্লাবের সিও ও রংপুর মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জহির আলম নয়ন, ক্লাবের উপদেষ্টা ও ৪ নং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হারুন উর রশিদ, ৪ নং ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা নারী ফুটবলের অগ্রগতি এবং তৃণমূল পর্যায়ে খেলোয়াড় তৈরির গুরুত্ব তুলে ধরেন।
জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মনজুর আহমেদ আজাদ বলেন, “এটি নিঃসন্দেহে একটি প্রশংসনীয় আয়োজন। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করা। সেই লক্ষ্য নিয়েই ক্লাব ও জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।”

সদ্যপুস্করিনী যুব স্পোর্টিং ক্লাবের সিও জহির আলম নয়ন বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই ক্লাবকে ঘিরে কাজ করে যাচ্ছি। এবারের লিগে আমাদের মেয়েরা ভালো পারফরম্যান্স করেছে। আগামী মৌসুমে আরও আধুনিক ও দক্ষ খেলোয়াড় নিয়ে দল গঠনের চেষ্টা থাকবে।”

জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি শামীম খান মিসকিন বলেন, “আমাদের মেয়েরা এবারের লিগে ভালো পারফরম্যান্স করেছে এবং আমরা সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখার চেষ্টা করছি। মাঠমুখী খেলোয়াড় তৈরির লক্ষ্যেই কাজ করছি। এমন সুন্দর আয়োজনের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে ধন্যবাদ জানাই।”

সদ্যপুস্করিনী যুব স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি মিলন মিয়া বলেন, “নারী ফুটবলের উন্নয়নে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে মহিলা কমিটির চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ তৃণমূল পর্যায়ের মেয়েদের নিয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আজকের আয়োজনটি নারী ফুটবলারদের জন্য একটি প্রাণবন্ত ও অনুপ্রেরণামূলক পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।”

ক্লাবের উপদেষ্টা হারুন উর রশিদ বলেন, “আমরা মেয়েদের পাশে আছি এবং ক্লাবকে আরও এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি, যাতে ভবিষ্যতে শক্তিশালী খেলোয়াড়ের একটি সমৃদ্ধ পাইপলাইন তৈরি হয়।”

অনুষ্ঠানের শেষে অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন তৃণমূল পর্যায়ে নারী ফুটবলের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চীনের বিপক্ষে লড়াইয়ে ইতিবাচক সংকেত বাংলাদেশের, ২-০ গোলে পরাজয়।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৮:১৪ অপরাহ্ণ
চীনের বিপক্ষে লড়াইয়ে ইতিবাচক সংকেত বাংলাদেশের, ২-০ গোলে পরাজয়।

এশিয়ার বর্তমান চ্যাম্পিয়নের বিপক্ষে র‌্যাংকিংয়ে বড় ব্যবধান থাকলেও আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলেছে বাংলাদেশ নারী দল। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে লড়াই করে ম্যাচে পরাজিত হলেও পারফরম্যান্সে ছিল ইতিবাচক বার্তা।

র‌্যাংকিংয়ের হিসাবে চীন অনেক এগিয়ে। তবু শুরু থেকেই বাংলাদেশ রক্ষণভাগ গোছানো রেখে মাঝমাঠে ভারসাম্য ধরে রাখার চেষ্টা করে। বল দখলে পিছিয়ে থাকলেও পরিকল্পিত ডিফেন্স ও দ্রুত পাল্টা আক্রমণে প্রতিপক্ষকে সতর্ক রাখে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ফিটনেস ও শারীরিক সক্ষমতায়ও দল আত্মবিশ্বাসের পরিচয় দেয়।

প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি করে চীন। একটি গোল ভিডিও সহকারী রেফারির সিদ্ধান্তে বাতিল হয়। শেষ পর্যন্ত বিরতির ঠিক আগে দূরপাল্লার শটে এগিয়ে যায় চ্যাম্পিয়নরা। এরপর দ্রুত আরেকটি আক্রমণ থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। দ্বিতীয় গোলটি ডিফেন্ডারদের গায়ে লেগে জালে জড়ায়।

দ্বিতীয়ার্ধে কৌশল বদলে আরও আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে খেলতে শুরু করে বাংলাদেশ। কয়েকটি পরিবর্তন এনে গতি বাড়ানোর চেষ্টা করেন কোচ। মাঝমাঠ থেকে বল সরবরাহ বাড়ায় আক্রমণভাগে কিছু সম্ভাবনাও তৈরি হয়। গোলরক্ষক মিলি আক্তারও গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে ব্যবধান আর বাড়তে দেননি।

ম্যাচের অন্যতম সেরা মুহূর্ত আসে প্রথমার্ধেই। পাল্টা আক্রমণে ঋতুপর্ণা চাকমার দূরপাল্লার জোরালো শট প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের দুর্দান্ত সেভে রক্ষা পায়। সুযোগটি গোল হলে ম্যাচের চিত্র ভিন্ন হতে পারত।
প্রযুক্তিনির্ভর সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য নতুন হলেও ম্যাচে ভিডিও রিভিউ একাধিকবার প্রভাব ফেলেছে। একটি গোল বাতিল এবং সম্ভাব্য পেনাল্টি পরিস্থিতি পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে প্রযুক্তির ব্যবহার স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

“বাংলাদেশ নারী দলের এশিয়ান কাপ যাত্রা শুরু, প্রথম প্রতিপক্ষ চীন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১:২৪ অপরাহ্ণ
“বাংলাদেশ নারী দলের এশিয়ান কাপ যাত্রা শুরু, প্রথম প্রতিপক্ষ চীন

এশিয়ার সবচেয়ে বড় নারী ফুটবল টুর্নামেন্টের পর্দা উঠেছে গতকাল রোববার। উদ্বোধনী ম্যাচে ফিলিপাইনকে পরাজিত করে ২০২৬ সালের এশিয়ান কাপের যাত্রা শুরু করেছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া।
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল আগামীকাল তাদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামবে, যেখানে প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড়াচ্ছে ৯বারের চ্যাম্পিয়ন চীন। প্রথমবারের মতো এশিয়ান কাপ অভিজ্ঞতা অর্জন করতে নেমে আফঈদা খন্দকারের নেতৃত্বাধীন দল মাঠে ‘ফাইট’ দেখাতে প্রস্তুত।
অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “চীন অত্যন্ত শক্তিশালী দল, তাদের ইতিহাস ও খেলার মান চোখে পড়ার মতো। তবে আমরা প্রতিটি বলের জন্য লড়াই করব। আশা করি, আমাদের প্রচেষ্টা ভালো ফল দেবে।”
চীনের মতো বড় দলের বিরুদ্ধে খেলার সুযোগ পেয়ে দলের মধ্যে এক ধরনের উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। আফঈদা আরও যোগ করেন, “এমন একটি শক্তিশালী দলের সঙ্গে খেলার অভিজ্ঞতা আমাদের জন্য শিক্ষণীয় হবে। আমরা চেষ্টা করব প্রতিটি মুহূর্তে আমাদের সেরাটা দেখাতে।”
বাংলাদেশের দল ইতিমধ্যেই অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছে অভিজ্ঞতা সংগ্রহ করছে। প্র্যাকটিস সেশন এবং স্টেডিয়ামের পরিবেশকে তারা বেশ ইতিবাচকভাবে অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখছে। আফঈদা জানান, “প্র্যাকটিস মাঠগুলো চমৎকার, আমাদের দলকে মানিয়ে নিতে সাহায্য করছে। পুরো পরিবেশ উপভোগ করছি।”
বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচের সূচি অনুযায়ী, ৬ মার্চ তারা খেলবে উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে এবং গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ ৯ মার্চ উজবেকিস্তানের সঙ্গে। পিটার বাটলার কোচের অধীনে দল প্রতিটি ম্যাচেই সেরাটা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।