খুঁজুন
বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২

আজ কোরিয়ার মুখোমুখি,ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ নারী অনূর্ধ্ব-২০ দল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৫, ৬:৩৮ পূর্বাহ্ণ
আজ কোরিয়ার মুখোমুখি,ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ নারী অনূর্ধ্ব-২০ দল

 

১০ আগস্ট ২০২৫ | রবিবার

 

এশিয়ান কাপের মূলপর্বে জায়গা করে নেওয়ার স্বপ্ন নিয়ে আজ লাওসে মাঠে নামছে বাংলাদেশের নারী অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দল। বিকেল ৩টায় লাওসের জাতীয় স্টেডিয়ামে তাদের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়া। জয় পেলেই নিশ্চিত হবে ইতিহাসের নতুন অধ্যায়—প্রথমবারের মতো মূলপর্বে খেলার সুযোগ। এমনকি ড্র করলেও সেই স্বপ্ন পূরণ হবে, আর হারলেও রানার্সআপ হয়ে যেতে পারে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে।

গ্রুপ ‘এইচ’-এ দুই ম্যাচ শেষে সমান ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে আফঈদা-সাগরিকারা। প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক লাওসকে ৩-১ গোলে হারানোর পর দ্বিতীয় ম্যাচে পূর্ব তিমুরকে উড়িয়ে দেয় ৮-০ গোলে। দুই ম্যাচে মোট ১১ গোল করে দল দেখিয়েছে দুর্দান্ত ফর্ম। সমান পয়েন্ট থাকা সত্ত্বেও গোল গড়ে পিছিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া আছে দ্বিতীয় স্থানে। ফলে ড্র করলেই মুখোমুখি ফলাফলের সুবিধায় এগিয়ে থাকবে বাংলাদেশ।

তবে প্রতিপক্ষ দক্ষিণ কোরিয়ার অভিজ্ঞতা এবং শক্তি ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। এশিয়ান কাপের সব আসরে তাদের অংশগ্রহণ রয়েছে এবং তারা দুইবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। সহকারী কোচ মাহমুদা আক্তারের আশা—দল ভালো খেলবে এবং দেশের জন্য আনন্দ নিয়ে আসবে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আজ রক্ষণাত্মক কৌশল হতে পারে মূল চাবিকাঠি। সাফ ও বাছাই পর্বের আগের ম্যাচগুলোতে হাইলাইন ডিফেন্সে খেলা বাংলাদেশকে আজ হয়তো কিছুটা কৌশল বদলাতে হতে পারে, যাতে দক্ষিণ কোরিয়ার আক্রমণ ঠেকানো যায়। কোচ পিটার বাটলারও জোর দিচ্ছেন ধৈর্য ধরে সুযোগ তৈরি করার ওপর, “গোলের পেছনে না ছুটে, সুযোগ তৈরি করো—গোল আসবেই,” বলেন তিনি।

বাছাইপর্ব থেকে আট চ্যাম্পিয়ন দল ছাড়াও সেরা তিন রানার্সআপ যাবে আগামী এপ্রিলে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় মূলপর্বে। রানার্সআপ হিসেবেও বাংলাদেশের সম্ভাবনা টিকে আছে, তবে শর্ত একটাই—হারের ব্যবধান কম রাখতে হবে।

আজকের ম্যাচ শুধু পয়েন্টের লড়াই নয়, এটি হতে পারে বাংলাদেশের নারী ফুটবলের জন্য আরেকটি মাইলফলক। লাল-সবুজের মেয়েরা কি পারবে ইতিহাস লিখতে? চোখ এখন লাওসের মাঠে।

চীনের বিপক্ষে লড়াইয়ে ইতিবাচক সংকেত বাংলাদেশের, ২-০ গোলে পরাজয়।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৮:১৪ অপরাহ্ণ
চীনের বিপক্ষে লড়াইয়ে ইতিবাচক সংকেত বাংলাদেশের, ২-০ গোলে পরাজয়।

এশিয়ার বর্তমান চ্যাম্পিয়নের বিপক্ষে র‌্যাংকিংয়ে বড় ব্যবধান থাকলেও আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলেছে বাংলাদেশ নারী দল। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে লড়াই করে ম্যাচে পরাজিত হলেও পারফরম্যান্সে ছিল ইতিবাচক বার্তা।

র‌্যাংকিংয়ের হিসাবে চীন অনেক এগিয়ে। তবু শুরু থেকেই বাংলাদেশ রক্ষণভাগ গোছানো রেখে মাঝমাঠে ভারসাম্য ধরে রাখার চেষ্টা করে। বল দখলে পিছিয়ে থাকলেও পরিকল্পিত ডিফেন্স ও দ্রুত পাল্টা আক্রমণে প্রতিপক্ষকে সতর্ক রাখে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ফিটনেস ও শারীরিক সক্ষমতায়ও দল আত্মবিশ্বাসের পরিচয় দেয়।

প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি করে চীন। একটি গোল ভিডিও সহকারী রেফারির সিদ্ধান্তে বাতিল হয়। শেষ পর্যন্ত বিরতির ঠিক আগে দূরপাল্লার শটে এগিয়ে যায় চ্যাম্পিয়নরা। এরপর দ্রুত আরেকটি আক্রমণ থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। দ্বিতীয় গোলটি ডিফেন্ডারদের গায়ে লেগে জালে জড়ায়।

দ্বিতীয়ার্ধে কৌশল বদলে আরও আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে খেলতে শুরু করে বাংলাদেশ। কয়েকটি পরিবর্তন এনে গতি বাড়ানোর চেষ্টা করেন কোচ। মাঝমাঠ থেকে বল সরবরাহ বাড়ায় আক্রমণভাগে কিছু সম্ভাবনাও তৈরি হয়। গোলরক্ষক মিলি আক্তারও গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে ব্যবধান আর বাড়তে দেননি।

ম্যাচের অন্যতম সেরা মুহূর্ত আসে প্রথমার্ধেই। পাল্টা আক্রমণে ঋতুপর্ণা চাকমার দূরপাল্লার জোরালো শট প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের দুর্দান্ত সেভে রক্ষা পায়। সুযোগটি গোল হলে ম্যাচের চিত্র ভিন্ন হতে পারত।
প্রযুক্তিনির্ভর সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য নতুন হলেও ম্যাচে ভিডিও রিভিউ একাধিকবার প্রভাব ফেলেছে। একটি গোল বাতিল এবং সম্ভাব্য পেনাল্টি পরিস্থিতি পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে প্রযুক্তির ব্যবহার স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

“বাংলাদেশ নারী দলের এশিয়ান কাপ যাত্রা শুরু, প্রথম প্রতিপক্ষ চীন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১:২৪ অপরাহ্ণ
“বাংলাদেশ নারী দলের এশিয়ান কাপ যাত্রা শুরু, প্রথম প্রতিপক্ষ চীন

এশিয়ার সবচেয়ে বড় নারী ফুটবল টুর্নামেন্টের পর্দা উঠেছে গতকাল রোববার। উদ্বোধনী ম্যাচে ফিলিপাইনকে পরাজিত করে ২০২৬ সালের এশিয়ান কাপের যাত্রা শুরু করেছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া।
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল আগামীকাল তাদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামবে, যেখানে প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড়াচ্ছে ৯বারের চ্যাম্পিয়ন চীন। প্রথমবারের মতো এশিয়ান কাপ অভিজ্ঞতা অর্জন করতে নেমে আফঈদা খন্দকারের নেতৃত্বাধীন দল মাঠে ‘ফাইট’ দেখাতে প্রস্তুত।
অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “চীন অত্যন্ত শক্তিশালী দল, তাদের ইতিহাস ও খেলার মান চোখে পড়ার মতো। তবে আমরা প্রতিটি বলের জন্য লড়াই করব। আশা করি, আমাদের প্রচেষ্টা ভালো ফল দেবে।”
চীনের মতো বড় দলের বিরুদ্ধে খেলার সুযোগ পেয়ে দলের মধ্যে এক ধরনের উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। আফঈদা আরও যোগ করেন, “এমন একটি শক্তিশালী দলের সঙ্গে খেলার অভিজ্ঞতা আমাদের জন্য শিক্ষণীয় হবে। আমরা চেষ্টা করব প্রতিটি মুহূর্তে আমাদের সেরাটা দেখাতে।”
বাংলাদেশের দল ইতিমধ্যেই অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছে অভিজ্ঞতা সংগ্রহ করছে। প্র্যাকটিস সেশন এবং স্টেডিয়ামের পরিবেশকে তারা বেশ ইতিবাচকভাবে অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখছে। আফঈদা জানান, “প্র্যাকটিস মাঠগুলো চমৎকার, আমাদের দলকে মানিয়ে নিতে সাহায্য করছে। পুরো পরিবেশ উপভোগ করছি।”
বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচের সূচি অনুযায়ী, ৬ মার্চ তারা খেলবে উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে এবং গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ ৯ মার্চ উজবেকিস্তানের সঙ্গে। পিটার বাটলার কোচের অধীনে দল প্রতিটি ম্যাচেই সেরাটা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

১ মার্চের আগে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত লাল-সবুজের মেয়েরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩৮ পূর্বাহ্ণ
১ মার্চের আগে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত লাল-সবুজের মেয়েরা

এশিয়া কাপকে সামনে রেখে নতুন উদ্যমে প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। অস্ট্রেলিয়ার Sydney শহরে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নির্ধারিত ভেন্যুতে অনুশীলন শুরু করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
শুক্রবার সকালেই দল অনুশীলনে নামে Jubilee Oval মাঠে। মেঘলা আকাশ আর হালকা বৃষ্টির মাঝেও প্রায় দেড় ঘণ্টা নিবিড় সেশন পরিচালনা করেন প্রধান কোচ Peter Butler। ফিটনেস, পাসিং ড্রিল ও ট্যাকটিক্যাল সেটআপ—সব মিলিয়ে ছিল প্রতিযোগিতার আবহে প্রস্তুতির ছাপ।
অনুশীলন শেষে দল উঠেছে নির্ধারিত টিম হোটেল Parkroyal Parramatta-এ। এএফসি’র নিয়ম অনুযায়ী টুর্নামেন্ট শুরুর তিন দিন আগে থেকেই অংশগ্রহণকারী দলগুলোকে অফিসিয়াল হোটেলে অবস্থান করতে হয়। সেখান থেকেই প্রতিদিন অনুশীলন ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমে অংশ নেবে বাংলাদেশ।
১ মার্চ থেকে শুরু হবে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক সূচনা। তার আগে প্রতিদিন স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় অনুশীলন চালিয়ে যাবে দল। একই ভেন্যুতে প্রস্তুতি নিচ্ছে Chinese Taipei-এর নারী দলও।
মাঠ ও পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্ট কোচিং স্টাফ। সহকারী কোচ মাহমুদা আক্তার অনন্যা জানান, অনুশীলনের মান ও সুযোগ-সুবিধা আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের উপযোগী। আবহাওয়া পরিবর্তনশীল হলেও খেলোয়াড়রা দ্রুত মানিয়ে নিচ্ছে বলে জানান তিনি।
দলে কয়েকজনের হালকা চোট থাকলেও সেগুলো নিয়ে বড় উদ্বেগ নেই। ফিজিওর তত্ত্বাবধানে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চলছে, আর পুরো দলই প্রস্তুত নিজেদের সেরাটা দিতে।
এশিয়া কাপের মঞ্চে ভালো কিছু করতে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ নারী দল। প্রস্তুতির শুরুটা ইতিবাচক হওয়ায় প্রত্যাশাও বাড়ছে সমর্থকদের