খুঁজুন
বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ, ১৪৩৩

বাংলাদেশ নারী ফুটবলের আরেকটি মাইলফলকের খোঁজে জর্ডান সফরে অনূর্ধ্ব ১৭ কিশোরীরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৫, ৯:৫৬ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ নারী ফুটবলের আরেকটি মাইলফলকের খোঁজে জর্ডান সফরে অনূর্ধ্ব ১৭ কিশোরীরা

বাংলাদেশ নারী ফুটবলের অনূর্ধ্ব-১৭ দল নতুন এক চ্যালেঞ্জের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়তে প্রস্তুত। এএফসি উইমেনস অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্ব খেলতে আগামীকাল তারা উড়াল দেবে। এই মিশনে তাদের প্রতিপক্ষ জর্ডান ও চাইনিজ তাইপে—দুটি দলই আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে। তবে আশাবাদী অর্পিতা বিশ্বাসরা, তারা মাঠে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।

প্রতিপক্ষ ও সূচি

‘এইচ’ গ্রুপে খেলবে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচ ১৩ অক্টোবর স্বাগতিক জর্ডানের বিপক্ষে, আর শেষ ম্যাচ ১৭ অক্টোবর শক্তিশালী চাইনিজ তাইপের বিরুদ্ধে। তার আগে প্রস্তুতি হিসেবে দুবাইয়ে সিরিয়া ও স্থানীয় একটি মেয়েদের দলের বিপক্ষে দুটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেলবে লাল-সবুজরা। ৭ ও ৯ অক্টোবরের ওই ম্যাচ শেষ করে ১০ অক্টোবর জর্ডানের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে দল।

প্রস্তুতি ও বাস্তবতা

ভুটানে অনুষ্ঠিত সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ টুর্নামেন্টে রানার্সআপ হওয়ার পর থেকেই ছেলেমেয়েরা নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে তারা অনুশীলনে নামে। দেশের মাটিতে এক সপ্তাহের ক্যাম্প শেষে দুবাইয়ের দুটি ফিফা স্বীকৃত ম্যাচ তাদের আসল প্রস্তুতি হিসেবে ধরা হচ্ছে।

তবে প্রস্তুতি নিয়েও রয়েছে সংশয়। বাফুফে নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ খোলাখুলিভাবেই বলেছেন—
“খুব বেশি দিন মেয়েদের অনুশীলনের সুযোগ হয়নি। তাই অতিরিক্ত আশা করার সুযোগ নেই। এটা তাদের জন্য শেখার সুযোগ, অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের টুর্নামেন্ট।”

কোচ সাইফুল বারী টিটু প্রতিপক্ষের শক্তি সম্পর্কে অবগত। তার ভাষায়—
“জর্ডান ও চাইনিজ তাইপে আমাদের তুলনায় অনেক শক্তিশালী। বিশেষ করে জর্ডানের মেয়েরা শারীরিকভাবে অনেক পাওয়ারফুল। তবুও আমাদের মেয়েরা মানসিকভাবে দৃঢ়, আত্মবিশ্বাসী। মাঠে তারা লড়াই করবে।”

অধিনায়কের প্রত্যাশা

অধিনায়ক অর্পিতা বিশ্বাস দলের প্রতি আস্থাশীল। তিনি বলেন—
“আমরা সাফে ভালো খেলেছি। দুবাইয়ের দুটি ম্যাচ আমাদের শেখার সুযোগ দেবে। সেই অভিজ্ঞতা জর্ডানে কাজে লাগাতে পারব।”

সাম্প্রতিক সাফল্য ও প্রত্যাশা

বাংলাদেশ নারী ফুটবলের সাম্প্রতিক ধারাবাহিকতা আশাবাদ জাগাচ্ছে। অনূর্ধ্ব-২০ ও জাতীয় দল ইতোমধ্যেই এএফসি এশিয়ান কাপের মূলপর্ব নিশ্চিত করেছে। এবার অনূর্ধ্ব-১৭ দলও একই স্বপ্ন বুকে নিয়ে মাঠে নামছে। যদিও প্রতিপক্ষ শক্তিশালী, তবে ভবিষ্যতের জন্য লড়াইটা হতে চলেছে দারুণ গুরুত্বপূর্ণ।

 

রক্তাক্ত সেমিফাইনালে রংপুরের জয়, কিসকুর গোলে বিদায় ময়মনসিংহের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ
রক্তাক্ত সেমিফাইনালে রংপুরের জয়, কিসকুর গোলে বিদায় ময়মনসিংহের

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬ জাতীয় পর্যায়ের সেমিফাইনালে দাপুটে পারফরম্যান্সে রংপুর বিভাগ ১-০ গোলে ময়মনসিংহ বিভাগকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে। ম্যাচের একমাত্র ও জয়সূচক গোলটি করেন কিসকু।
শুরু থেকেই রংপুর আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় এবং বলের দখল ও খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছেই রাখে। ধারাবাহিক আক্রমণে ময়মনসিংহকে চাপে রাখলেও একমাত্র গোলেই জয় নিশ্চিত করে রংপুর। পুরো ম্যাচজুড়ে রংপুরের সুশৃঙ্খল রক্ষণভাগের সামনে প্রতিপক্ষ তেমন কোনো কার্যকর আক্রমণ গড়ে তুলতে পারেনি।
ম্যাচের সবচেয়ে হৃদয়বিদারক মুহূর্ত আসে যখন রংপুরের অধিনায়ক সিনথিয়া আক্তার অনন্যা প্রতিপক্ষের আঘাতে মাথায় গুরুতর চোট পান। কপাল ফেটে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে মাঠ ছাড়তে হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে তার মাথায় ৯টি সেলাই দেওয়া হয়। তবে অধিনায়ক মাঠের বাইরে চলে গেলেও রংপুরের খেলোয়াড়রা অসাধারণ শৃঙ্খলা, আত্মবিশ্বাস ও দলীয় সমন্বয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে। ফলে ময়মনসিংহ শেষ পর্যন্ত সমতায় ফেরার মতো কোনো উল্লেখযোগ্য সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।
এই জয়ের মাধ্যমে রংপুর বিভাগ নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-এর ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। আগামী ২৭ জুলাই বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে বিকেল ৩:৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে শিরোপা নির্ধারণী ফাইনাল।
রক্তাক্ত অধিনায়কের আত্মত্যাগ, কিসকুর জয়সূচক গোল এবং পুরো দলের লড়াকু পারফরম্যান্সে স্মরণীয় এক সেমিফাইনাল জয়ের সাক্ষী হলো রংপুর বিভাগ। এখন লক্ষ্য—ফাইনালে জিতে শিরোপা ঘরে তোলা।

শেষ বাঁশির আগেই বদলে গেল ইতিহাস, ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে মেসির দল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৩:১৬ পূর্বাহ্ণ
শেষ বাঁশির আগেই বদলে গেল ইতিহাস, ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে মেসির দল

ফুটবল ইতিহাসে অনেক নাটকীয় সেমিফাইনাল দেখা গেছে, তবে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালটি নিঃসন্দেহে সেগুলোর অন্যতম। নির্ধারিত সময়ের শেষ সাত মিনিটে ম্যাচের পুরো চিত্র বদলে দিয়ে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত এগিয়ে থেকেও ইংল্যান্ডের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভেঙে দেন এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্টিনেজ।
আটলান্টা স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে ছিল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। লিওনেল মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা শুরু থেকেই বলের দখল রেখে আক্রমণ সাজাতে থাকে। অন্যদিকে ইংল্যান্ড দ্রুতগতির পাল্টা আক্রমণে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করে। প্রথমার্ধে দুই দলই কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করলেও এমিলিয়ানো মার্টিনেজ ও ইংল্যান্ডের গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। ফলে প্রথম ৪৫ মিনিট শেষ হয় গোলশূন্য সমতায়।
বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে মাঠে নামে ইংল্যান্ড। ৫৫তম মিনিটে সেই চাপেরই ফল পায় গ্যারেথ সাউথগেটের দল। মাঝমাঠ থেকে দারুণ এক আক্রমণ গড়ে তুলে বক্সের ভেতরে বল পান অ্যান্থনি গর্ডন। কোনো ভুল না করে নিখুঁত ফিনিশে বল জালে পাঠিয়ে ইংল্যান্ডকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি। গোলের পর ইংল্যান্ডের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের উল্লাসে মনে হচ্ছিল, বহু প্রতীক্ষিত বিশ্বকাপ ফাইনালের স্বপ্ন এবার সত্যি হতে চলেছে।
গোল হজম করার পর আর্জেন্টিনা একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে। মেসি, আলভারেজ, ম্যাক অ্যালিস্টার ও লাউতারোকে ঘিরে তৈরি হতে থাকে একের পর এক সুযোগ। কিন্তু ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগ দীর্ঘ সময় পর্যন্ত দুর্দান্তভাবে সব আক্রমণ সামাল দেয়। সময় যত গড়াচ্ছিল, আর্জেন্টিনার ওপর চাপও তত বাড়ছিল।
তবে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করে যাওয়ার মানসিকতা। ম্যাচের ৮৫তম মিনিটে সেই লড়াইয়েরই পুরস্কার পায় আলবিসেলেস্তেরা। লিওনেল মেসির সূক্ষ্ম পাস থেকে তৈরি হওয়া আক্রমণে এনজো ফার্নান্দেজ দুর্দান্ত এক শটে ইংল্যান্ডের জাল কাঁপিয়ে সমতা ফেরান। ১-১ গোলে ম্যাচ ফিরতেই নতুন করে জ্বলে ওঠে আর্জেন্টিনা, আর চাপে পড়ে যায় ইংল্যান্ড।

সমতা ফেরানোর পর থেমে থাকেনি স্কালোনির শিষ্যরা। নির্ধারিত সময় শেষে যোগ করা সময়েও আক্রমণের ধার অব্যাহত রাখে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকেই এগোচ্ছে বলে মনে হচ্ছিল, ঠিক তখনই আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ।
৯০+২ মিনিট। বক্সের ভেতরে তৈরি হওয়া সুযোগে লাউতারো মার্টিনেজ অসাধারণ ফিনিশে বল জড়িয়ে দেন ইংল্যান্ডের জালে। মুহূর্তেই স্তব্ধ হয়ে যায় পুরো স্টেডিয়াম। ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা হতাশায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন, আর আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা উল্লাসে মেতে ওঠেন। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই নিশ্চিত হয়ে যায়—আরেকটি বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা।

পুরো ম্যাচজুড়ে লিওনেল মেসি ছিলেন আর্জেন্টিনার আক্রমণের প্রাণভোমরা। সরাসরি গোল না পেলেও আক্রমণ সাজানো, সুযোগ তৈরি এবং দলকে অনুপ্রাণিত করার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন অনবদ্য। মাঝমাঠে এনজো ফার্নান্দেজের নিয়ন্ত্রণ এবং শেষ মুহূর্তে লাউতারো মার্টিনেজের দুর্দান্ত গোল আর্জেন্টিনাকে এনে দেয় স্মরণীয় এক জয়।
অন্যদিকে ইংল্যান্ডের জন্য এটি ছিল ভীষণ হতাশার রাত। দীর্ঘ সময় এগিয়ে থেকেও শেষ কয়েক মিনিটে ম্যাচ হাতছাড়া হওয়ায় তাদের বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন আরও একবার অপূর্ণই থেকে গেল। অ্যান্থনি গর্ডনের গোলও শেষ পর্যন্ত কোনো কাজে আসেনি।
এই জয়ের ফলে ২০২২ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠল। শিরোপা জয়ের পথে তাদের শেষ প্রতিপক্ষ ইউরোপিয়ান শক্তিশালী দল স্পেন। অন্যদিকে ইংল্যান্ড এখন তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে ফ্রান্সের।

দুই গোলে ফ্রান্সকে বিদায়, বিশ্বকাপের ফাইনালের মঞ্চে স্পেন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৩:০৯ পূর্বাহ্ণ
দুই গোলে ফ্রান্সকে বিদায়, বিশ্বকাপের ফাইনালের মঞ্চে স্পেন

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে ইউরোপীয় দুই পরাশক্তির লড়াইয়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল স্পেন। টেক্সাসের আরলিংটনের ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে গেছে লা রোজা। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বলের দখল, আক্রমণের গতি এবং রক্ষণে শৃঙ্খলায় স্পেন ছিল অনেক বেশি পরিণত, আর সেই আধিপত্যেরই প্রতিফলন দেখা যায় স্কোরলাইনে।
ম্যাচের শুরু থেকেই ফ্রান্সকে চাপে রাখে স্পেন। দ্রুত পাসিং, উইং ব্যবহার এবং ধারাবাহিক আক্রমণে ফরাসি রক্ষণকে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে তারা। ২২তম মিনিটে বক্সের ভেতরে ফাউলের পর পেনাল্টি পায় স্পেন। স্পট-কিক থেকে কোনো ভুল না করে দলকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক মিকেল ওয়ারজাবাল।

গোল হজমের পর কিলিয়ান এমবাপ্পেদের ফ্রান্স ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও স্পেনের সংগঠিত রক্ষণ এবং মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ তাদের সেই সুযোগ দেয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হয় স্পেনের ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে।
দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতেই রাখে স্পেন। ৫৮তম মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে গড়ে ওঠা আক্রমণে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পেদ্রো পোরো। এই গোলের পর ম্যাচে ফেরার পথ আরও কঠিন হয়ে যায় ফ্রান্সের জন্য।
শেষ সময়ে আক্রমণের তীব্রতা বাড়ালেও ফরাসিরা স্পেনের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। বরং ঠান্ডা মাথায় ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করে ২-০ গোলের দাপুটে জয় নিশ্চিত করে স্পেন।
এই জয়ের ফলে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে গেল স্পেন। এখন তাদের প্রতিপক্ষ হবে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড ম্যাচের বিজয়ী। অন্যদিকে শিরোপার স্বপ্ন ভেঙে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে হবে ফ্রান্সকে।