বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে (বুধবার, ১ অক্টোবর) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতা থেকে সরে দাঁড়ান।
একসময় বিসিবির পরিচালনা পরিষদে যুক্ত হয়ে ক্রিকেট অপারেশনে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন তামিম। ক্রিকেটের উন্নয়ন ও নীতিনির্ধারণী কর্মকাণ্ডে সরাসরি অবদান রাখার ইচ্ছাও জানিয়েছিলেন তিনি। তবে শেষ মুহূর্তে নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে নির্বাচনের দৌড় থেকে সরে দাঁড়ালেন দেশের এই তারকা ক্রিকেটার।
এর আগে শোনা গিয়েছিল, সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগে বিসিবি নির্বাচন বয়কট করতে পারে তামিমের নেতৃত্বে থাকা কয়েকটি ক্লাব। পাশাপাশি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্তে নাম আসা ১৫টি ক্লাবকে ভোটের বাইরে রাখার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। তামিম ইকবালের সংশ্লিষ্ট ক্লাবও সেই তালিকায় ছিল।
বিগত সময়ে বিতর্কিতভাবে তৃতীয় বিভাগ বাছাই ক্রিকেট থেকে উঠে আসা ১৮টি ক্লাবের মধ্যে ১৫টি ভোটার তালিকায় জায়গা পেয়েছিল। নাজমুল হাসান পাপনের সভাপতিত্বকালে এসব ক্লাবকে বিশেষ সুবিধায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। আদালতের নির্দেশনার পর এবার সেই ক্লাবগুলো নির্বাচন থেকে ছিটকে যায়, যা তামিমের সিদ্ধান্তে বড় প্রভাব ফেলে।
সবশেষে নিজ ক্লাবের অযোগ্যতা এবং অনিয়মের অভিযোগে তৈরি হওয়া জটিলতার প্রেক্ষিতেই মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন তামিম ইকবাল। ফলে এবারের বিসিবি নির্বাচনে তার অংশগ্রহণের সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেল।