৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
এস্তাদিও মনুমেন্তাল—যে মাঠে ২০০৫ সালে প্রথমবার জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চড়েছিলেন লিওনেল মেসি, সেই একই মাঠে হয়তো শেষবারের মতো আর্জেন্টিনার হয়ে খেললেন তিনি। আর সেই বিদায়ী মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখলেন জোড়া গোল করে।
শুক্রবার ভোরে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জয় পায় আর্জেন্টিনা। ম্যাচের শুরু থেকেই গ্যালারিতে ছিল আবেগঘন পরিবেশ। হাজারো সমর্থকের কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছিল— “ওলে, ওলে, ওলে... মেসি, মেসি!” বিদায়ের মুহূর্তে গোটা জাতির ভালোবাসা যেন ঢেলে দিচ্ছিলেন তারা প্রিয় তারকার জন্য।
গোলের উৎসবে মেসি
প্রথম গোলটি আসে মেসির পা থেকেই। পারেদেসের থ্রু পাস ধরে আলভারেজ বল বাড়ান মেসিকে। ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষকের উপস্থিতিতেও নিখুঁত চিপ শটে জালের ঠিকানা খুঁজে পান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। প্রায় এক বছর পর জাতীয় দলের জার্সিতে গোল করেন তিনি।
৭৮ মিনিটে বদলি হিসেবে নেমে গোল করেন লাউতারো মার্টিনেজ। আর দুই মিনিট পরই আবারও ঝলক দেখান মেসি। থিয়েগো আলমাদার কাটব্যাক পাস থেকে সহজেই জালে বল জড়িয়ে নেন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই ফরোয়ার্ড। এর ফলে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের কাতারেও নাম লেখান তিনি।
শেষ মুহূর্তে হ্যাটট্রিকের সুযোগ পেলেও অফসাইডের ফাঁদে পড়ে গোল বাতিল হয়। তবে তাতে ম্লান হয়নি জয় কিংবা মেসির বিদায়ী রাতের আবেগ।
এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের ইতি
দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আর্জেন্টিনাকে উল্লাসে ভাসানো মেসি নিজের দেশে শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচে রেখে গেলেন অমলিন স্মৃতি। মনুমেন্তাল সাক্ষী রইল এক কিংবদন্তির বিদায়ী হাসি ও চোখের কোণে জমে থাকা আবেগের।